পুলিশ জানায়, গতকাল ওই শিশু নিখোঁজ হলে সন্ধান চেয়ে চারপাশে মাইকিং করে শিশুর স্বজনরা। কাল থেকে কোন খোঁজখবর না পাওয়ায় আজ সাভার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন তারা। পরে সাভারের জয়নাবাড়ী এলাকার হাজী জাহাঙ্গীর সাহেবের পাঁচতলা বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ওই শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। আটক সোনালীকে জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, শিশুটি কাল থেকে নিখোঁজ ছিল তার সাথে আমাদের কোন শত্রুতা নেই। এক ভাড়াটিয়া সবার ঘর তল্লাশি করার কথা বললে আমি আমার ঘর তল্লাশি করে দেখি আমার খাটের নিচে একটি বস্তা। এই বস্তা থেকে নাফিজার লাশ উদ্ধার করা হয়। বস্তা টি কিভাবে তার ঘরে আসলো তার কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক এনামুল হক ২ জানান নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সাভার মডেল থানার ওসি এএফএম সায়েদের কাছে জানতে তিনি আমাদেরবাংলাদেশ.কমকে জানান শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।